মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ আক্তার হোসেন।
গত বুধবার সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘভূমি মৌজার সি.এস ৩৪৯ নং দাগভুক্ত ১০ শতক জমি নিয়ে একটি মামলার প্রেক্ষিতে তিনি আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
উক্ত মামলায় বাদী যুখী রানী কর্মকার তাকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি প্রদান করেন। মামলার ধারাবাহিকতায় গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আদালত জমির স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন।
তিনি দাবি করেন, আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে আব্দুস সামাদ ও তার সহযোগীরা সেখানে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। এ অবস্থায় গত ৮ মার্চ ব্রাহ্মণপাড়া থানার এএসআই আবু মুসা তাকে একাধিকবার ফোন করে ডেকে নেন। পরে উপজেলা পশ্চিম গেইট এলাকায় থানার ওসি সাব্বির মোঃ সেলিম তার কাছে কাজ বন্ধের বিনিময়ে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আক্তার হোসেন বলেন, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয় এবং পরে থানায় নিয়ে আটক রাখা হয়। একই রাতে তার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার এক প্রকল্প ব্যবস্থাপককে বাদী করে চাঁদাবাজির একটি মামলা দায়ের করা হয়, যাকে তিনি চেনেন না বলে দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, “আমি কখনো চাঁদাবাজির সাথে জড়িত নই। শুধু আদালতের মামলার দায়িত্ব পালন করছিলাম। আমাকে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।” বিজ্ঞ আদালত সিভিল কোর্ট কমিশনার জনাব মোঃ ইকবাল আহমদ ভূইয়াকে নিয়োগ প্রদান করেন। কমিশনার গত ১১ এপ্রিল সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে তদন্ত সম্পন্ন করেন। তবে অভিযুক্ত আব্দুল সামাদ গং আদালতের আদেশ অমান্য করে নির্মাণ কাজ অব্যাহত রেখেছে। যা আদালতেকে অমান্য করা।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, আব্দুস সামাদ গংদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে তাকে হয়রানি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত রয়েছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।